যে যাকাতটা প্রায় সব হিসাবে বাদ পড়ে
হজের জন্য জমানো টাকা আপনার সম্পদ। নিসাবের উপরে থাকলে প্রতি বছর তাতে যাকাত আসে — আলাদা করে রাখা বলে বাদ যায় না, আর ভবিষ্যতের নিয়ত সম্পদকে যাকাত থেকে মুক্ত করে না।
এই পাতা সেই যাকাতটা হিসাবের মধ্যেই ধরে। যে হিসাব এটা বাদ দেয়, সেটা প্রতি বছর একটু একটু করে পিছিয়ে যায় — আর কেউ বুঝতেও পারে না কেন লক্ষ্যটা সরে যাচ্ছে।
কিছু বাড়বে ধরে নেওয়া হয়নি
সুদ তো বাদই। কিন্তু বিনিয়োগের মুনাফাও ধরা হয়নি, আর সেটাও ইচ্ছাকৃত।
মুনাফা ধরলে যে তারিখ আসত সেটা অনুমানের ওপর দাঁড়াত, আর বাজার পড়ে গেলে মানুষ হিসাবের চেয়ে পিছিয়ে পড়ত। এখানে যা দেখাচ্ছে তা হলো শুধু জমিয়ে গেলে কী হবে — সবচেয়ে খারাপ ক্ষেত্রেও যেটা সত্যি থাকে।
খরচ প্রতি বছর বাড়ে, দুটো কারণে
মুদ্রাস্ফীতি আর টাকার বিনিময় হার — বাংলাদেশ থেকে যাওয়ার খরচে এর প্রভাব বড়।
আর হজ চান্দ্র ক্যালেন্ডারে, তাই প্রতি সৌরবছরে প্রায় এগারো দিন এগিয়ে আসে — ঋতু বদলায়, বিমান ভাড়া আর হোটেলের মৌসুমি দামও বদলায়। তাই কোনো এজেন্সির আজকের আসল দর দিন, গড় নয়। তারিখ মেলাতে হিজরি ক্যালেন্ডার কাজে লাগবে।
টাকা কোথায় রাখবেন
সুদমুক্ত অ্যাকাউন্টে। নইলে যে সুদ আসবে তা আলাদা করে দান করে দিতে হবে — নিজের কাজে লাগানো যাবে না, আর হজের খরচেও নয়।
ব্যাংকের সুদের টাকা নিয়ে কী করবেন, সেটা এই উত্তরে বিস্তারিত আছে।