নিয়তই ঠিক করে দেয় হিসাব
একই শেয়ার, দুই রকম যাকাত — পার্থক্যটা কেবল আপনি কেন কিনেছেন তাতে।
কেনাবেচার জন্য কিনলে পুরো বাজারমূল্যে যাকাত, ঠিক দোকানের মজুদের মতো — কারণ কার্যত এটা বিক্রির পণ্য।
দীর্ঘমেয়াদে লভ্যাংশের জন্য রাখলে সংখ্যাগরিষ্ঠ মত হলো কেবল কোম্পানির যাকাতযোগ্য সম্পদের অনুপাতে যাকাত — কারখানা, যন্ত্রপাতি বা দালানের অংশে নয়, কারণ সেগুলো ব্যবসার উপকরণ।
পেনশন — যেখানে মতভেদ আসল
আজই তুলতে পারলে সেটা সঞ্চিত সম্পদ, যাকাত আসে — এতে কারো দ্বিমত নেই।
অবসর পর্যন্ত আটকানো থাকলে মতভেদ আছে। অনেক সমকালীন আলেম বলেন হাতে না আসা পর্যন্ত যাকাত নেই, কারণ পূর্ণ মালিকানা যাকাতের শর্ত। অন্যরা বলেন যতটুকু আপনার হয়ে গেছে তার ওপর যাকাত আসে — তবে তোলার সময় যে কর ও জরিমানা লাগত তা বাদ দিয়ে।
এই পাতা দুটোই দেখায়, আর কোনোটা বেছে নেয় না।
যাকাত আর হালাল যাচাই আলাদা প্রশ্ন
এই পাতা যাকাতের অঙ্ক কষে — কোম্পানিটা হালাল কি না তা যাচাই করে না। সেটা সম্পূর্ণ আলাদা পরীক্ষা: কোম্পানি কী কারবার করে, আর তার হিসাবপত্রে সুদের অনুপাত কত।
যাকাত দেওয়ার আগে সেটা দেখে নেওয়াই ভালো, কারণ হারাম আয়ের অংশটুকু আলাদা করে দান করে দিতে হয় — শেয়ার হালাল কি না বুঝবেন কীভাবে সেখানে নিয়মগুলো আছে।