যা দিয়ে ব্যবসা করে, যা দিয়ে ব্যবসা চলে
পুরো বিষয়টা এই একটা পার্থক্যে দাঁড়িয়ে। যাকাত আসে সেই সম্পদে যা দিয়ে ব্যবসা করা হয় — বিক্রির মাল, নগদ, ব্যাংকের টাকা, ক্রেতার কাছে পাওনা।
যাকাত আসে না সেই সম্পদে যা দিয়ে ব্যবসা চালানো হয় — দোকান, কারখানা, যন্ত্রপাতি, গাড়ি, আসবাব। যত দামিই হোক।
একটা পোশাকের দোকানে তাকের কাপড়ে যাকাত আসে, তাকটায় আসে না। এই পাতা দুটোই আলাদা করে দেখায় — কারণ বাদ পড়াটাও হিসাবের অংশ, আর কেন বাদ পড়ল সেটা লেখা থাকা দরকার।
মজুদের দাম আজকের বিক্রয়মূল্যে
কেনা দামে নয় — আজ বিক্রি করলে যা পেতেন সেই দামে। যাকাত আজকের সম্পদের ওপর, গত বছরের খরচের ওপর নয়।
বিক্রি না হওয়া বা নষ্ট মাল সত্যিই যে দামে ছাড়তে পারবেন সেই দামে ধরুন। আর কাঁচামাল ও অর্ধ-তৈরি পণ্যও বাদ যাবে না — উৎপাদনের প্রতিটি স্তরের মজুদ যাকাতযোগ্য।
অংশীদারি ব্যবসা
যাকাত ব্যক্তির ওপর ওয়াজিব, প্রতিষ্ঠানের ওপর নয়। তাই প্রতিটি অংশীদার নিজের অংশ ধরে নিজের হিসাব করবেন।
আপনার ২৫% মালিকানা থাকলে ব্যবসার যাকাতযোগ্য সম্পদের ২৫% আপনার হিসাবে যোগ হবে — তারপর সেটা আপনার ব্যক্তিগত সম্পদের সাথে মিলিয়ে নিসাবের সাথে মাপা হবে। ব্যক্তিগত হিসাবের জন্য যাকাত ক্যালকুলেটর দেখুন।